আপনার ঘরের দৃশ্যটাও কি এমন?
৩ বছরের বাচ্চা - মুখে ভাত তুলতে গেলে হাতে ফোন দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।
৮ বছর বয়স - পড়তে বসতে বললেই নানা অজুহাত, অথচ গেমের কথা শুনলে সব ভুলে ছুটে আসে।
১৩ বছর বয়স - রুমে ঢুকলেই তাড়াহুড়ো করে ফোনের স্ক্রিনটা বন্ধ করে ফেলে।
১৬ বছর বয়স - রাত ২টা পর্যন্ত ফোন টিপছে, কার সাথে কথা বলছে জিজ্ঞেস করলে বলে “কেউ না, এমনি বন্ধুর সাথে।”
এগুলো কিন্তু কোনো সাধারণ “বয়সের দোষ” না।
এগুলো বিপদ আসার সংকেত।
তবে ভালো খবর হলো - প্রতিটা সমস্যারই খুব শান্ত ও সহজ সমাধান এই বইয়ে আছে।
ফোন আসক্তি, বাজে সঙ্গ, গোপন সম্পর্ক আর পড়াশোনা নষ্ট হওয়া - পরিস্থিতি হাতছাড়া হওয়ার আগেই বাবা-মা হিসেবে আপনার কী করা উচিত? এখানে কোনো লম্বা বক্তৃতা বা কঠিন উপদেশ নেই। প্রতিটা পেজে আছে আমাদের ঘরের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সমস্যার আসল কারণ, আর সন্তানকে ঠিক কোন্ মুখে কী বলবেন - তার তৈরি ডায়ালগ।
তাৎক্ষণিক PDF ডাউনলোড · মোবাইলেও পড়া যাবে
পুরো বই আপনাকে একসাথে পড়তে হবে না। আপনার সন্তানের বয়সের চ্যাপ্টারটা খুলুন - আজ থেকেই কাজ শুরু করে দিন।
ফোন ছাড়া খাবে না, কান্না থামাবে না, কার্টুন না দিলে শান্ত হবে না - এই অভ্যাস শক্ত হওয়ার আগেই বদলানোর সহজ উপায়।
বয়স ১–৫২০ মিনিটের পড়া পদ্ধতি, “পড়া আগে না গেম আগে?”, ১০ বছরের বাচ্চার জন্য কাজের ফোন চুক্তি - ঘরে ঘরে ট্রাই করা বাস্তব সমাধান।
বয়স ৬–১০লক করা অ্যাপ, ডিলিট করা হিস্ট্রি, না চেনা মানুষের মেসেজ - জেরা না করে, না চটে ভেতরের খবর জানার বুদ্ধি।
বয়স ১১–১৪গোপন সম্পর্ক, কোচিং ফাঁকি, ঘর ছেড়ে পালানোর চিন্তা - স্বাধীনতা দিয়েও সন্তানকে নিজের পাশে ধরে রাখার উপায়।
বয়স ১৫–১৮ফোন লুকানো, রাত জাগা, “কেউ না” বলা - ছোট সংকেত দেখেই বড় বিপদ থামানোর উপায়।
সব বয়সহাত থেকে ফোন কেড়ে নেওয়া, অপমান করা, অন্যের সাথে তুলনা - ভালো চাইতে গিয়ে যে ভুলগুলো আমরা করি, আর তা শোধরাবেন যেভাবে।
বাবা-মায়ের জন্যদিন ধরে ধরে রুটিন: ঘুম, পড়াশোনা, বাইরে যাওয়া - একটা নিয়মে পুরো পরিবারকে এক সুতোয় বাঁধার গাইড।
কর্মপরিকল্পনাবইটা খুলবেন, সমস্যাটা খুঁজবেন, আর এই ৫টা ধাপ ফলো করবেন।
পরিষ্কারভাবে জানিয়ে রাখি: বইয়ের সব টিপস কোনো অ্যাপ ছাড়াই ১০০% কাজ করবে। ParenTek App ব্যবহার করা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা। যারা রাতে ফোন অটোমেটিক বন্ধ করা বা পড়ার সময় গেম লক করার সুবিধা চান, শুধু তাদের জন্য সেটআপ গাইড দেওয়া আছে।
পরিস্থিতি: সন্তান রাত জেগে ফোন চালায়।
“ফোনটা দে এক্ষুনি! কাল থেকে ফোন চালানো একদম বন্ধ!”
ফলাফল: সন্তান লুকিয়ে চালানো শিখবে, আর আপনার থেকে দূরে সরে যাবে।
“তোর ঘুম কম হচ্ছে, চোখ দেখলেই বুঝি। আজ থেকে আমরা সবাই রাত ১১টায় ফোন ড্রয়িংরুমে রেখে ঘুমাব - আমারটাও থাকবে।”
ফলাফল: নিয়ম সবার জন্য সমান, তাই কোনো ঝগড়া বা চিল্লাচিল্লি নেই।
এমন রেডি ডায়ালগ আছে বইয়ের প্রায় প্রতিটা পেজে - ছোট বাচ্চার খাওয়া থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের কঠিন সমস্যা পর্যন্ত।
“সন্তানকে ভাঙা যাবে না,
সন্তানকে ভালোবেসে কাছে ফিরিয়ে আনতে হবে।”
এটা কোনো শাসনের বই না, চিল্লাচিল্লির বই না, ফোন কেড়ে নেওয়ার বই না। এটা নিয়মের সাথে, ভালোবাসার সাথে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর বই।
শুরু করার সবচেয়ে ভালো সময় ছিল ৬ মাস আগে।
দ্বিতীয় ভালো সময় - আজ থেকেই!
“এক কাপ চায়ের দামে - পরিবারের প্রতিদিনের নিশ্চিন্ত ঘুম।”
বইটি লিখেছেন কাজী হাবিব - parentek.com-এর ParenTek App নির্মাতা টিমের পক্ষ থেকে, আমাদের দেশের বাবা-মায়ের প্রতিদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে।
বইটা পড়ুন। যদি মনে হয় আপনার পরিবারের কোনো কাজে আসছে না - ৭ দিনের মধ্যে জানান। কোনো প্রশ্ন না করেই পুরো ৳২৪৯ ফেরত দেওয়া হবে।
আপনার ঝুঁকি: শূন্য। সন্তানকে সঠিক পথে ফেরানোর সম্ভাবনা: পুরোটা।
রাত জেগে ফোন চালানোর চ্যাপ্টারটা পড়ে ঠিক যেভাবে বলতে বলা ছিল, সেভাবেই বললাম। প্রথম রাতেই কোনো ঝগড়া ছাড়া ছেলে ড্রয়িংরুমে ফোন রেখে শুতে গেছে!
আমার ৩ বছরের ছেলে ফোন ছাড়া খেতেই চাইত না। ১ নম্বর চ্যাপ্টারের নিয়মগুলো ধরে ধরে করলাম - এখন খাওয়ার সময় আর ফোনই লাগে না।
বইটা শুধু মায়েদের জন্য না। আমি নিজে পড়ে বুঝলাম আমার চিল্লাচিল্লিই ছেলেকে দূরে ঠেলছিল। ‘যেভাবে বলবেন’ অংশটা আমার সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে।

ParenTek App-এর নির্মাতা · মানব-আচরণ ও শিশু-বিকাশের একজন অনুসন্ধিৎসু মানুষ
সন্তান, প্রযুক্তি আর মনস্তত্ত্ব নিয়ে বিশ্বের সেরা বই ও গবেষণাগুলো পড়ে, তার সারকথা আমাদের দেশের বাস্তবতায় সাজিয়ে এই বই লেখা।
এটা কোনো বিদেশি বইয়ের অনুবাদ নয় - আমাদের ঘর, আমাদের স্কুল-কোচিং, আর আমাদের বাবা-মায়ের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে লেখা।
পেমেন্ট করার সাথে সাথেই ডাউনলোড লিংক পাবেন - ইমেইল ও SMS-এও লিংক পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
হ্যাঁ, একদম সহজ। PDF ফাইল - মোবাইল, ট্যাব বা কম্পিউটার সবখানে পড়া যাবে। চাইলে প্রিন্টও করতে পারেন।
হ্যাঁ, বিশেষ করে আপনার জন্যই লাগবে! চ্যাপ্টার ১ পুরোটাই ১–৫ বছর নিয়ে। এই বয়সেই অভ্যাসের বীজ গড়ে - এখন ঠিক করলে পরের ১৫ বছর অনেক শান্তিতে থাকবেন।
না, একদম না। বইয়ের সব টিপস অ্যাপ ছাড়াই কাজ করবে। অ্যাপ ব্যবহার করা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা।
WhatsApp-এ একটা মেসেজ দিন - ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান পেয়ে যাবেন।
৭ দিনের মধ্যে জানালেই পুরো টাকা ফেরত - কোনো প্রশ্ন ছাড়াই।
আপনার সন্তানের বয়সের চ্যাপ্টারটা খুলুন। একটা সমস্যা বেছে নিন। কাল সকাল থেকে নতুনভাবে কথা বলা শুরু করুন।
তাৎক্ষণিক PDF · ৭ দিনের টাকা ফেরতের গ্যারান্টি
একটি অনুরোধ: এই পেজটি আপনার স্বামী বা স্ত্রীকেও পাঠান। নিয়ম তখনই কাজ করে, যখন বাবা-মা দুজনই এক পথে থাকেন।